সেরা মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবনে নানা চ্যালেঞ্জ ও কষ্ট থাকে। সেরা মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা এই স্ট্যাটাসগুলো তাদের সেই কষ্টের প্রকাশ।

আচ্ছালামু আলাইকুম প্রিয় দর্শক - আজকের আইডিয়ার পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে সেরা মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা নিয়ে আলোচনা করব।

সেরা মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা সম্পর্কে আরো জানতে গুগলে সার্চ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েব সাইটে অন্যান্য পোস্টগুলো পড়তে পারেন। তো চলুন আমাদের আজকের মূল বিষয়বস্তুগুলো এক নজরে পেজ সূচিপত্রতে দেখে নেয়া যাকঃ

আমাদের সমাজের চা চলতি জীবনে, মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা এক অনন্য অবস্থানে থাকেন। তাদের কাঁধে রয়েছে পরিবারের আশা, সামাজিক চাপ, এবং নিজের স্বপ্নের বোঝা। এই সব কিছু মিলে তৈরি করে এক অসামান্য কাহিনী, যা প্রকাশ পায় তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার স্ট্যাটাসে।

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা

এই লেখায়, আমরা সেই সব স্ট্যাটাসেরই কিছু অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরব, যেগুলো মধ্যবিত্ত ছেলেদের অন্তর্লীন কষ্টের নিরবচ্ছিন্ন প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলে।

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবন কতটা কঠিন, তা বোঝার জন্য তাদের জীবনে একবার ডুব দিতে হবে। বাইরে থেকে দেখতে যত সহজ মনে হলেও, ভেতরে লুকিয়ে থাকে অজানা কত কষ্ট, কত বাধা।
"বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করে, কিন্তু বাবার পকেটের টান দেখে মন চায় না জিজ্ঞাসা করতে।"

এই স্ট্যাটাসটি মধ্যবিত্ত পরিবারের বাস্তব অর্থনৈতিক চাপের কথা জানায়। অন্যদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার সাধারণ ইচ্ছাও দমিয়ে রাখতে হয় তাদের। 
"স্বপ্ন অনেক, কিন্তু সুযোগ কম। কোনদিন কি সব স্বপ্ন পূরণ হবে?"

এই লাইনে ফুটে ওঠে মধ্যবিত্ত ছেলেদের স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে বাঁধা। স্বপ্ন থাকলেও, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা তাদের পথ আটকে দেয়। 
"মা-বাবার চোখের জল দেখতে পারি না। কিন্তু তাদের স্বপ্ন পূরণ করার মতো সামর্থ্য এখনো হয়নি।"

এই লাইনে ফুটে ওঠে মধ্যবিত্ত ছেলেদের প্রতি পরিবারের দায়িত্ববোধ। তারা নিজের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দেন মা-বাবার সুখ ও স্বপ্ন পূরণে।
একলা ঘর জরাজীর্ণ হেডফোন আর একাকিত্ব হ্যাঁ এই তো আমি বেশ ভালই আছি…. 
হেলায় হারানো সে বিকেল আবছা আলোয় ঝাপসা,কাঁচে আজ যে আদর অধিকার কই প্রেমের নিবিড় প্রবীন জালে… 
একটা সকাল এমনও আসতে পারতো… মুখোমুখি তোমায় পেতাম.. কিন্তু তা আর হল না… মোহের জালের মিথ্যে আশা ভাঙলো.. একা ছাদে কাঁটা ঘুড়ি একাই পড়ে রইল… ভালো-বাসা আর হল না… 
একটা বিকেল আমাদের হতে পারতো… ময়দানের পাশে ট্রামে চড়ে সূর্যাস্ত দেখতাম.. একটা বৃষ্টিভেজা সন্ধে মদেরও হতো…এক ছাতায় অনেকটা পথ চলতাম… 
আমার ভালোবাসা তোমার কাছে ন্যাকামির আখ্যা পায় আর একাকিত্ব এসে প্রতিবারই কাঁদায় আমায়। 
দূরে কোথাও যেন মনটা একবার কাছে আসার কথা ভেবেই আবার পিছু হটে। বেঁচে থাকি আমি, বাঁচে আমার একলা পৃথিবী। 
এ ঘরের স্তব্ধতা ঝিঝি পোকায় ভাঙে। আমি এ অভ্যাসের দাস হব। এই ভাঙা ঘরের চারটে দেওয়াল, আজ তোদের গালেই চুমু খাব। 
অন্ধকার ঘরে বাস আমার, আলোকচ্ছটাও আসেনা। একাকিত্বকে সঙ্গি করেছি, কেউ আমার সাথে মেশে না। 
ঐ হেডফোন জড়ানো জীবনে পারসোনাল স্পেসের চাহিদা মেটাতে গিয়ে হৃদয়ের সবচেয়ে আপনার মানুষটাই যেন বড্ড দূরে সরে গিয়েছে। 
আজো খুব ইচ্ছে করে তোমায় ছুঁতে চুল থেকে নখ তোমার ঠোঁটের সঙ্গ পেতে বিশ্রী এ আবদার মনখেয়ালি নরম চোখ আজও জানে আদরবাসা… 
হয়তো খুব চেনা কিছু, হয়তো বা অচেনা… হয়তো ভুলে যাওয়া কোনো সুপ্ত স্মৃতির খোঁজে প্রত্যেকদিন নতুন করে একা হওয়ার নিদারুণ অভিলাষ… কাকে যেন রোজ খুঁজে বেড়ায় একলা অসহায় দুচোখ… ভয় পেলে জাপটে ধরার মানুষটাই বোধয় কোথায় হারিয়ে গিয়েছে… 
ফেসবুকে লাইক পাওয়ার চাহিদায় বেঁচে আছে শুধু শরীরের কারসাজি, মনটা পড়ে আছে অনেক দূরে কোনো একলা নগরে … কেউ নেই!! 
ঠোঁটে কৃত্রিম হাসি চাপানো নকল সম্পর্কের বিজয়ের সুরে মিথ্যে হয়েছে ভালোবাসা… আজ সত্যিই হেরে গিয়েছে ভালোবাসা… তাই প্রতি রাতে একাকীত্ব আসে। 
ফ্যাকাসে গোলাপের মিথ্যের গল্প শুনিয়ে জড়িয়ে ধরে, রোজ… নতুন করে ভিজে চোখে চাঁদের আলো এসে ঘুম পাড়ানি রূপকথা বলে, আবার হারিয়ে যায় ঐ নাম না জানা জোনাকিদের ভিড়ে… পড়ে থাকি একলা আমি। 
আবেগ প্রবণ, ঝড় তোলে নিছক একাকিত্বে, দোমড়ানো মন চোখে শ্রাবণ, স্বপ্ন ছোঁয় শোকের গভীরত্বে। 
মাঝে মাঝে খুব কাছের স্মৃতি গুলো ঝাপসা হয় বটে কিন্তু মুছে যায় না। একটু কষ্ট করলেই স্বচ্ছ হয়ে উঠে। 
নিয়ে একবুক অভিমান, কথারা আজ নিশ্চুপ! হতাশার এক হাটু জলে, একাকিত্ব দেয় ডুব!
ভাসছে নোনা স্রোতে দুনয়নের স্বপ্ন, বিষন্ন মনে আজ একাকিত্ব ঘিরে, ভাঙা হৃদয় তবুও পূর্ব কল্পনায় মগ্ন, যদিও ভালোবাসা স্তব্ধ স্মৃতির ভীড়ে। 
সর্বহারা পথিকের ছন্নছাড়া অস্তিত্ব, মাতোয়ারা পথকষ্টের হতচ্ছাড়া একাকিত্ব।
ঢাকলে শোকের ছায়া সুখচ্ছায়ের ঘর ঘিরে, মর্মাহত এই প্রাণও তোমার একাকিত্ব গেঁথে।
আমার জীবন শুধুই বৃথা, ঘুরছি আমি একা একা, এই পৃথবীর বিরাট পথে, চলছি একা নিজের সাথে। 
একাকির আঙিনায় সূর্যাস্তের শেষে, নিরাশার আকাশে আশার আলো বুনি, দীপ্তির ধরাছোঁয়ায় যদি দাঁড়াও এসে, ইচ্ছেডানার নির্ভরতা ফিরবেই জানি। 
আমি একা এই ব্রহ্মান্ডের ভেতর একটি বিন্দুর মতো আমি একা। – রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
একা থাকার এই ভালো লাগায় হারিয়ে গিয়েছি, নিঃসঙ্গতা আমাকে আর পাবে না – রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ । 
যদি যেতে চাও, যাও আমি পথ হবো চরণের তলে না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব ফেরাবো না, পোড়াবোই হিমেল অনলে। 
প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে পুড়িয়ে মারি প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে পাঠাই নির্বাসনে ভালবাসা কি ভীষণ প্রতারক হৃদয় ভেঙেছে যার সেই জানে … 
নিসঙ্গ টেবিলে পা তুলে অসভ্য ভাষায় আমি একাকি বোসে আছি নিখুঁত পোট্রেট। 
যেতে যেতে এই বাস থেমে যাবে বকুল তলায় যাত্রীরা পড়বে নেমে যে যার মতোন। 
আত্মগত আমি আবার নিজের কাছে প্রশ্ন করি নিঃশব্দের এমন রাতে বুকের মাঝে শব্দ কেন? 
তুমি জানো না আমি তো জানি, কতোটা গ্লানিতে এতো কথা নিয়ে এতো গান, এতো হাসি নিয়ে বুকে নিশ্চুপ হয়ে থাকি। 
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবন কেবল কষ্টের নয়, বরং তাদের লড়াই, সাহস ও আশার এক অমিত সাহসিক অভিযান। তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া ও তাদের লড়াইয়ে পাশে থাকা আমাদের সকলের কর্তব্য।

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস উক্তি বাংলা

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবন কতটা কঠিন হতে পারে, তা বুঝতে পারেন শুধুমাত্র তারাই যারা এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ, সমাজের রীতিনীতি ও প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা, এবং নিজের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা - এই সবকিছুর মাঝে তাদের জীবন এক অবিরাম লড়াই।

যদি যেতে চাও, যাও আমি পথ হবো চরণের তলে না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব ফেরাবো না, পোড়াবোই হিমেল অনলে।
হেলাল হাফিজ 
সবচেয়ে খারাপ একাকিত্ব হলো নিজেকেও ভালো না লাগা।
মার্ক টোয়েইন 
পাখিকে জিজ্ঞেস করো নিরিবিলি, পক্ষপাতহীন পাখি বিস্তারিত সংবাদ জানাবে কী কী ব্যথা এবং আর্দ্রতা রেখেছে দখল করে আশৈশব আমার একালা, আমি কতো একা, কতোখানি ক্ষত আর ক্ষতি নিয়ে বেদনার অনুকূলে প্রবাহিত আমার জীবন।
হেলাল হাফিজ 
তোমার দুচোখে এক অস্পষ্ট স্বপ্নের ছায়া, তুমি ভেসে যাও, ভেসে ভেসে চিনে নাও দূরবর্তী কূলের ঠিকানা, অথবা নিজের মুখ দ্যাখো তুমি নিসর্গে, নির্জন আয়নায়।
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 
বিষাদ ছুঁয়েছে আজ, মন ভালো নেই, মন ভালো নেই; ফাঁকা রাস্তা, শূন্য বারান্দা সারাদিন ডাকি সাড়া নেই, একবার ফিরেও চায় না কেউ পথ ভুলকরে চলে যায়, এদিকে আসে না আমি কি সহস্র সহস্র বর্ষ এভাবে তাকিয়ে থাকবো শূন্যতার দিকে?
মহাদেব সাহা 
এই শূন্য ঘরে, এই নির্বসনে কতোকাল, আর কতোকাল! আজ দুঃখ ছুঁয়েছে ঘরবাড়ি, উদ্যানে উঠেচে ক্যাকটাস্ত কেউ নেই, কড়া নাড়ার মতো কেউ নেই, শুধু শূন্যতার এই দীর্ঘশ্বাস, এই দীর্ঘ পদধ্বনি।
মহাদেব সাহা 
টেলিফোন ঘোরাতে ঘোরাতে আমি ক্লান্ত ডাকতে ডাকতে একশেষ; কেউ ডাক শোনে না, কেউ ফিরে তাকায় না এই হিমঘরে ভাঙ্গা চেয়ারে একা বসে আছি। এ কী শাস্তি তুমি আমাকে দিচ্ছো ঈশর, এভাবে দগ্ধ হওয়ার নাম কি বেঁচে থাকা।
মহাদেব সাহা 
চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয় চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা আর্দ্র রজনী চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে আমার না-থাকা জুড়ে।
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 
বিদায়ের সেহনাই বাজে নিয়ে যাবার পালকি এসে দাঁড়ায় দুয়ারে সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এই যে বেঁচে ছিলাম দীর্ঘশ্বাস নিয়ে যেতে হয় সবাইকে অজানা গন্তব্যে হঠাৎ ডেকে ওঠে নাম না জানা পাখি অজান্তেই চমকে ওঠি জীবন, ফুরালো নাকি! এমনি করে সবাই যাবে, যেতে হবে…
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 
যখন একা থাকার অভ্যাস হয়ে যায় ঠিক তখনি সৃষ্টিকর্তা কিছু মানুষের সন্ধান দেন। যখন তাদেরকে নিয়ে ভালো থাকার অভ্যাস হয়ে যায়, ঠিক তখনি আবার একা হয়ে যেতে হয়।
জর্জ বার্নার্ড শ 
হয়তো আবার একাও থাকবো, কিন্তু সত্যি বলছি একটা সম্পূর্ণ দিন আমরা কিছুই করবনা।। এই হেমন্তে যে নদী মৃত্যুর প্রস্তুতি নেবে আগামী শীতের,তার মতো আমরাও প্রস্তুত হবো আমাদের একটা সারাদিনের জন্নে, এই হেমন্তে।
নির্মলেন্দু গুণ 
যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে! ছবি আমার বুকে বেঁধে পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে ফিরবে মর’ কানন গিরি, সাগর আকাশ বাতাস চিরি’ যেদিন আমায় খুঁজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!
কাজী নজরুল ইসলাম 
স্বপন ভেঙে নিশুত্ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে, কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,- জাগবে হঠাৎ চমকে! ভাববে বুঝি আমিই এসে ব’সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে, ধরতে গিয়ে দেখবে যখন শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন! বেদনাতে চোখ বুঁজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!
কাজী নজরুল ইসলাম 
চল হাত ছেড়ে শূন্যতা ধরে হাঁটি। – তারপর? তারপর ঠিক করে নেবে, আজীবন শূন্যতা, না আমি
রুদ্র গোস্বামী 
দুঃখ মানুষের জীবনের একটি ব্যক্তিগত গান, যা মানুষ নিজে ছাড়া অন্য কেউ শোনে না।
রুদ্র গোস্বামী
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবন কঠিন হলেও, তারা জীবনে অনেক কিছু অর্জন করে। তাদের লড়াই, তাদের পরিশ্রমই তাদের জীবনকে সুন্দর করে তোলে।

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবন বেশ কঠিন। একদিকে সামাজিক চাপ, অন্যদিকে আর্থিক টানাপোড়েন - এই দুইয়ের মাঝে পিষে যায় তাদের জীবন। তাদের এই কষ্ট ও বেদনা প্রকাশ পায় তাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস ও ছবিতে।
মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি ১
আমার অতীত হলো আমি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি এবং আমি যেখানেই যাই সেই অভিজ্ঞতা গুলো আমার সাথে থাকে।
মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি ২
ঘরের কষ্ট পরেরর কষ্ট পাখি এবং পাতার কষ্ট দাড়ির কষ্ট চোখের বুকের নখের কষ্ট, একটি মানুষ খুব নীরবে নষ্ট হবার কষ্ট আছে কষ্ট নেবে কষ্ট।
মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস ছবি

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস

এই ব্লগ পোস্টটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জীবনের বিভিন্ন কষ্টের কথা তুলে ধরে লেখা হয়েছে। পাঠকদের মধ্যে অনেকেই হয়তো এই ধরণের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, তাই তাদের মনে কিছু প্রশ্ন জাগতে পারে।

নিচে এই ব্লগ পোস্ট সম্পর্কিত কিছু জনপ্রিয় প্রশ্নাবলীর উত্তর দেওয়া হল:

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং?

মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, সামাজিক চাপ, এবং আবেগিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে বাধা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

এই ব্লগ পোস্টটি কীভাবে আমার মধ্যবিত্ত ছেলের সঙ্গে আরও ভালো যোগাযোগ করতে সাহায্য করতে পারে?

এই ব্লগ পোস্টটি আপনাকে আপনার ছেলের মনের গভীরে ঢুকে দেখার সুযোগ দেয়। এটি তাদের যেসব কষ্টের কথা হয়তো তারা সরাসরি বলতে পারে না, সেগুলো বুঝতে সাহায্য করে। ফলে, আপনি তাদের সাথে আরও সহানুভূতিশীল এবং সহযোগী হতে পারবেন।

এই ধরণের কষ্টের সাথে মোকাবিলা করতে মধ্যবিত্ত ছেলেরা কী করতে পারে?

মধ্যবিত্ত ছেলেরা তাদের কষ্টের সাথে মোকাবিলা করতে ইতিবাচক মনোভাব, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারেন। এছাড়াও, পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের সাথে কথা বলা, তাদের সমর্থন নেওয়া, এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

এই ব্লগ পোস্টটি কি শুধু মধ্যবিত্ত ছেলেদের জন্যই, নাকি অন্য সামাজিক শ্রেণীর ছেলেরাও কি এসব কষ্টের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে?

যদিও এই ব্লগ পোস্টটি বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের দিকে নজর রাখে, তবে এতে উল্লিখিত অনেক বিষয় অন্য সামাজিক শ্রেণীর ছেলেদের জন্যও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। কারণ, জীবনের চ্যালেঞ্জ এবং কষ্ট সবার জন্যই কমবেশি থাকে।

এই ব্লগ পোস্টটি পড়ার পরে আমি আরও কি করতে পারি?

এই ব্লগ পোস্টটি পড়ার পরে, আপনি আপনার নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাগত করে অন্যদের সাহায্য করতে পারেন। এছাড়াও, আপনি এই বিষয়টি সম্পর্কে আরও জানার জন্য অন্যান্য নিবন্ধ বা বই পড়তে পারেন।

এই স্ট্যাটাসগুলো মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের কথা বললেও, একই সাথে তুলে ধরে তাদের সাহস, সংগ্রাম এবং পরিবারের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। এই ছেলেরাই আমাদের সমাজের মেরুদণ্ড, যারা নিজেদের কষ্ট ঢেকে রেখে পরিবার ও সমাজের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যান।

আপনারা আসলেই আজকের আইডিয়ার একজন মূল্যবান পাঠক। সেরা মধ্যবিত্ত ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস বাংলা এর আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ। এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

কোন মন্তব্য নেই
এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানান

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন - অন্যথায় আপনার মন্তব্য গ্রহণ করা হবে না।

comment url